
ময়মনসিংহের ফুলপুর উপজেলার পয়ারী ইউনিয়নে তরুণদের খেলাধুলায় উৎসাহিত করা এবং প্রতিভাবান খেলোয়াড় তৈরির লক্ষ্যে কাজ করে যাচ্ছে এডভোকেট সালেহ উদ্দিন স্পোর্টস একাডেমি। বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী ও হাইকোর্ট বিভাগের নিয়মিত প্র্যাকটিশনার এডভোকেট সালেহ উদ্দিনের উদ্যোগে ও নিজস্ব অর্থায়নে দীর্ঘদিন ধরে পয়ারীর মাঠে ফুটবল প্রশিক্ষণ কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে। বর্তমানে একাডেমিতে ছোট-বড় মিলিয়ে প্রায় ৬০ থেকে ৬৫ জন শিক্ষার্থী নিয়মিত প্রশিক্ষণ নিচ্ছে।
এডভোকেট সালেহ উদ্দিন পয়ারীর আমুয়াকান্দা বাজারের বিশিষ্ট ব্যবসায়ী আবু তালেব এবং মরহুম আবু মন্নাফ চেয়ারম্যান ও ব্যারিস্টার আবুল কালাম আজাদের ভাতিজা। ছোটবেলা থেকেই খেলাধুলার প্রতি আগ্রহী এডভোকেট সালেহ উদ্দিন ফুটবল, ক্রিকেট, ব্যাডমিন্টন ও ভলিবলসহ বিভিন্ন খেলাধুলায় তরুণদের উৎসাহ দিয়ে আসছেন।
ফুলপুর ও তারাকান্দার বিভিন্ন মাঠে আয়োজিত ফুটবল টুর্নামেন্টে ‘পয়ারী ফুটবল ক্লাব’ নামে অংশগ্রহণ করে আসছে দলটি। খেলাধুলার মানোন্নয়নে গত বছর বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশনের (বাফুফে) স্বীকৃত ফুটবল কোচ সাধন বসাককে নিয়োগ দেওয়া হয়। তিনি সপ্তাহে পাঁচ দিন শেরপুর থেকে এসে খেলোয়াড়দের প্রশিক্ষণ দিয়ে থাকেন।
একাডেমির কার্যক্রম পরিচালনা ও প্রতিষ্ঠার পেছনে সাবেক ফুটবলার মো. হানিফ মিয়া, জাব্বার, বারেক, দেলোয়ার মাস্টার, জহিরুল মাস্টার, শামীম আল হাসান সুজন, আনোয়ার, সাদি, কালাম ও চন্দনসহ স্থানীয় ফুটবলপ্রেমী মুরব্বি ও সাধারণ মানুষের অবদান রয়েছে।
সংশ্লিষ্টরা জানান, এডভোকেট সালেহ উদ্দিন স্পোর্টস একাডেমির রেজিস্ট্রেশন প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে। সম্পূর্ণ নিজস্ব অর্থায়নে পরিচালিত এ ফুটবল প্রশিক্ষণ কার্যক্রমের মাধ্যমে পয়ারী ইউনিয়নসহ আশপাশের এলাকার শিশু-কিশোর ও তরুণদের খেলাধুলায় সম্পৃক্ত করার পাশাপাশি দক্ষ খেলোয়াড় হিসেবে গড়ে তোলার চেষ্টা করা হচ্ছে।
এদিকে একাডেমির সংশ্লিষ্টরা গোকুল চন্দ্র উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রয়াত প্রধান শিক্ষক মো. আইয়ুব আলী খোকনের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছেন। মাঠের দুরবস্থার সময় তিনি পানি দেওয়ার ব্যবস্থা করে মাঠটি খেলাধুলার উপযোগী রাখতে সহযোগিতা করতেন।
স্থানীয়দের প্রত্যাশা, এডভোকেট সালেহ উদ্দিন স্পোর্টস একাডেমির এ উদ্যোগের মাধ্যমে পয়ারীসহ ফুলপুর-তারাকান্দা অঞ্চলে খেলাধুলার চর্চা আরও বিস্তৃত হবে এবং ভবিষ্যতে এখান থেকে প্রতিভাবান খেলোয়াড় উঠে আসবে।