1. admin@mymensinghbarta.com : admin :
  2. info.popularhostbd@gmail.com : PopularHostBD :
  3. alfialrafi@gmail.com : Rajon :
 ৭ সন্তান নিয়ে অনাহারে এক মা, নেই মাথা গোঁজার ঠাঁই - ময়মনসিংহ বার্তা
মঙ্গলবার, ১১ অগাস্ট ২০২৬, ০২:৪০ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
উচ্চশিক্ষার জন্য ফিনল্যান্ডের VAMK-এ ভর্তির গৌরব, স্টুডেন্ট ভিসা পেয়েছেন ফুলপুরের অন্তর ফুলপুরে জামায়াতের মিছিলের স্লোগানের প্রতিবাদে বিএনপির বিক্ষোভ মিছিল ফুলপুরে জুলাই বাস্তবায়নের দাবিতে জামায়াতের বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ ফুলপুরের পয়ারীতে খেলোয়াড় তৈরিতে কাজ করছে এডভোকেট সালেহ উদ্দিন স্পোর্টস একাডেমি ডাবল এফসিপিএস অর্জন, ময়মনসিংহের চিকিৎসা জগতে ডাঃ ফখরুজ্জামানের নতুন মাইলফলক ফুলপুরে নবনিযুক্ত ইউএনও সাধনা ত্রিপুরার যোগদান,বদলি হলেন মোহাম্মদ ইউসুফ, সাংবাদিকদের সাথে মতবিনিময় ফুলপুরে খাল খনন প্রকল্পের ১ কোটি ৫৪ লাখ টাকা সরকারি কোষাগারে ফেরত দিলেন ইউএনও ময়মনসিংহে জেলা পর্যায়ে শ্রেষ্ঠ কাব শিক্ষক (মহিলা) নির্বাচিত হলেন ফুলপুরের ফাতেমা আক্তার ফুলপুর মিনি পার্কে নির্দেশনা ও বিলের পরও কাজ হয়নি, ঠিকাদারের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার ইঙ্গিত ইউএনওর তারাকান্দার ফিলিং স্টেশনে মাপে তেল কম দেওয়ার অভিযোগ,ভ্রাম্যমান আদালতে জরিমানা।

 ৭ সন্তান নিয়ে অনাহারে এক মা, নেই মাথা গোঁজার ঠাঁই

Reporter Name
  • প্রকাশের সময় : রবিবার, ১৯ জুলাই, ২০২০
  • ৭২ বার পড়া হয়েছে

জঙ্গলে ঘেরা খালের ধারে নড়বড়ে বাড়িতে ৬ সন্তান নিয়ে বসবাস রাবেয়া খাতুনের। বাড়িতে প্রবেশের রাস্তা নেই। নেই বাড়িতে বিদ্যুৎ সযোগ। অনিরাপত্তায় বসবাস। একে একে ছয় মেয়ে সন্তানের পর এক ছেলে সন্তান যেন এই দুঃখি পরিবারের সব কষ্ট ভুলিয়ে দিয়েছে। ঝিনাইদহ সদর উপজেলার চন্ডিপুর গ্রামের হতদরিদ্র এই পরিবারের বসবাস। স্বামী শামসুল ইসলামের কিছুই নেই। পিতার দেওয়া ভিটেবাড়িতে ৭ সন্তান নিয়ে থাকেন রাবেয়া খাতুন। অতি কষ্টের সংসার তার। প্রায় দিন ঘরে খাবার থাকে না। ৭ সন্তানের মুখে খাবার তুলে দিতে হিমশিম খান দিনমজুর শামসুল। সকালে কাধে গামছা, হাতে দা নিয়ে গ্রামে গ্রামে ঘুরে নারকেল গাছ সাফ করেন। কোন দিন কাজ হয় আবার কোন দিন হয় না। এদিকে স্ত্রী রাবেয়া খাতুন পিতার বাড়িতেই বাচ্চাকাচ্চা সামলান। কখনো সন্তানের মুখে দুমুঠো ভাত তুলে দিতে পরের বাড়িতে ঝি এর কাজ করেন। রাবেয়া খাতুন জানান, আগে লক্ষিপুর আবাসন প্রকল্পের ঘরে বসবাস করতেন। এখন আর করেন না। এদিকে আম্ফান ঝড়ে তাদের বসবাস করার একমাত্র ঘরটি ভেঙ্গে গেছে। সন্তান নিয়ে নিজ ঘরে বসবাস আর বেঁচে থাকার লড়াই করতে করতে পরিবারটি এখন ক্লান্ত। তাদের দূরাবস্থার জানতে পেরে স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন গান্না ইউনিয়ন বিচিত্রা রাবেয়ার দুগ্ধপোষ্য শিশুকে প্রয়োজনীয় ওষুধ ও খাবার পৌছে দিয়েছে। তবে এই সহায়তা পরিবারটির জন্য খবুই অপ্রতুল। বেঁচে থাকার জন্য তাদের সরকারী সহায়তা প্রয়োজন। রাবেয়া খাতুন জানান, “আমাগের ঘড়ডা যদি কেও ভাল করে দিত, আর কিছু নগদ টাকা পাইতাম তবে ৭ সন্তান নিয়ে বাঁচতে পারতাম। এ ব্যাপারে গান্না ইউনিয়নের চেয়ারম্যান নাছির উদ্দীন মালিথা জানান, এমন পরিবারের খোঁজ আমাকে কেও দেয়নি। কারণ আমি গান্না ইউনিয়নের প্রতিটি অসহায় দুস্থ পরিবারকে সরকারী কার্ড করে দিয়েছি। তিনি পরিবারটি খুজে বের করে আর্থিক সহায়তা করবেন বলে জানান।

সংবাদ টি শেয়ার করুন

এ বিভাগের আরো সংবাদ
© All rights reserved
Design BY POPULAR HOST BD